Header Ads

আফগানিস্তানের "তালেবানের ইতিহাস"

 


তালেবান ১৯৯৪ সালে আফগান গৃহযুদ্ধের অন্যতম প্রধান দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল এবং মূলত পূর্ব ও দক্ষিণ আফগানিস্তানের পশতুন অঞ্চলের ছাত্রদের (তালিব) নিয়ে গঠিত যারা ঐতিহ্যবাহী ইসলামী বিদ্যালয়ে শিক্ষিত ছিল এবং সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধের সময় যুদ্ধ করেছিল।মোহাম্মদ ওমরের নেতৃত্বে আন্দোলনটি আফগানিস্তানের বেশিরভাগ জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে, মুজাহিদিন যুদ্ধবাজদের কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেয়।১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালেবান আফগানিস্তানে ৪ ভাগের ৩ ভাগের ক্ষমতায় ছিলো।২০০১ সালে নর্দার্ন অ্যালায়েন্স এবং ন্যাটো দেশগুলো কর্তৃক পরিচালিত এক যৌথ অভিযানের মাধ্যমে সেদেশে তালেবান শাসনের অবসান ঘটানো হয়, তালেবান নেতারা অনেকেই বন্দী হন, বাকিরা পালিয়ে যান।

ক্ষমতায় থাকার সময় তালেবান শরিয়াহ্‌ভিত্তিক ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা করেছিল। ১৯৯৬ সালে তারা ক্ষমতায় আসার পর আফগানিস্তানে ইসলামি আমিরাত প্রতিষ্ঠা করে। হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০১ সালে নর্দার্ন অ্যালায়েন্স ও ন্যাটো জোটের যৌথ অভিযানে তালেবান সরকারের পতন হলেও পুরোপুরি শেষ করা যায় নি। বর্তমানে তারা শক্তিশালী অবস্থানে আছে। দীর্ঘ ২০ বছর যুদ্ধ করেও যুক্তরাষ্ট্র সফল হতে না পেরে অবশেষে তালেবান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে কিছু সেনা প্রত্যাহার করবে। সর্বশেষ গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা দিয়েছেন‘আমেরিকার দীর্ঘতম লড়াই’ শেষ করতে আগামী ১ মে থেকে আফগানিস্তানে অবস্থানকারী মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু হবে। অন্যদিকে, যুদ্ধে তালেবানরা জয়ী হয়েছে—বলে ঘোষণা দিয়েছেন তালেবান নেতা হাজী হেকমত।

No comments

কপিরাইট @সময় নিউজ ২৪ -২০১৮ এই সাইটের কোন সংবাদ ও ছবি কপিরাইট করা সম্পূর্ণ বেআইনি . Powered by Blogger.